এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার সাইফুল মালেক মিথ্যা অভিযোগের হয়রানির শিকার
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার্স সাইফুল মালেক খানের এক দুর্নীতির অভিযোগ এর সংবাদ প্রকাশিত সংবাদের তথ্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করেছেন খোদ সেবাগ্রহীতা ও হাসপাতালের সাধারণ রোগীরা। তাদের মতে, সাইফুল মালেক খান অনিয়ম নয়, বরং মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
গত ৯ মে একটি স্থানীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের পর হাসপাতাল এলাকায় অনুসন্ধানে গেলে ভিন্ন চিত্র ফুটে ওঠে। ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, সাইফুল মালেক খান দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মানোন্নয়নে আমূল পরিবর্তন এসেছে।
চিকিৎসা নিতে আসা এক দিনমজুর বলেন, “মানুষ মানুষের জন্য এই কথাটি সাইফুল সাহেবের ক্ষেত্রে খাটে। তিনি শুধু ডিউটি করেন না, আমাদের মতো গরিব মানুষ যারা ওষুধ কিনতে পারে না, তাদের নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে সাহায্য করেন। উনার কাছে গিয়ে কেউ খালি হাতে ফেরে না।”
সাইফুল মালেক খানের মানবিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সবচেয়ে প্রশংসিত হয়েছে আলেম-ওলামাদের প্রতি তার সম্মান। জানা গেছে, কোনো ইমাম বা মুয়াজ্জিন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এলে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাদের দ্রুত এবং বিনামূল্যে সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে এমন পরোপকারী মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।
তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ওয়ার্ড মাস্টার সাইফুল মালেক খান বলেন, “আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি সবসময় মানব কল্যাণে এবং হাসপাতালের শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করছি। আমি সংবাদকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানাব আপনারা সরাসরি হাসপাতালে এসে তদন্ত করে দেখুন। সত্য মিথ্যার আড়ালে যাতে প্রকৃত সেবা বিঘ্নিত না হয়।”
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট অনেকের মতে, কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্বার্থান্বেষী মহলের চক্ষুশূল হতে পারেন তিনি। মানবিক আচরণ এবং আন্তরিক সেবার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে যে জায়গা করে নিয়েছেন, তা কোনো ভিত্তিহীন অভিযোগে ম্লান হওয়ার নয়। ওসমানী মেডিকেলের সেবার মান বজায় রাখতে এবং একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর সম্মান রক্ষায় বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ সচেতন মহল।