ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে আনসার সদস্য থাকবে। মোট আনসার সদস্যদের মধ্যে কিছু সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক আনসার কে ভোটের ডিউটিতে অংশগ্রহণ করবেন।
এই কিছু সংখ্যক অংশগ্রহণ নিয়েই গড়ে উঠেছে ইউনিয়ন কমান্ডারদের মধ্যে টাকা নিয়ে ডিউটি দেওয়ার প্রতিযোগিতা। তদন্ত সুত্রে জানা যায় মুষ্টিমেয় কয়েকজন আনসার কমান্ডার বাদে বেশিরভাগ ইউনিয়ন কমান্ডার এই অনৈতিক কাজের সাথে জরিত।
ঠিক তেমনি আলমবিদিতর ইউনিয়ন কমান্ডার মসিয়ার এর নামে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নিজে স্বশরীরে গংগাচড়া উপজেলা আনসার অফিসে এসে উপজেলা আনসার প্রশিক্ষক (TI) মোঃ রুহুল কে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
উপজেলা আনসার অফিসে কিছুক্ষণ অবস্থানের ফলে আরো অনেক অভিযোগ জানা যায় নোহালি ইউনিয়ন কমান্ডার, গজঘন্টা ইউনিয়ন কমান্ডার এর নামে।
গংগাচড়া উপজেলা আনসার প্রশিক্ষক এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে ভুক্তভোগী কে জানান।
গংগাচড়া উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবী আনসার সদস্যদের ভোটের ডিউটি নিতে টাকা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ভোটের ডিউটি পেতে প্রত্যেক আনসার সদস্যকে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আনসার সদস্য জানান, এই অনিয়ম করার সাহস ইউনিয়ন কমান্ডার এর নেই, নিশ্চয়ই এর সাথে উপজেলা থানা আনসার অফিসের বেতনভোগী কেউ জড়িত আছে।
তিনি বলেন ট্রেনিং করা নাই এমন ব্যক্তি ভোটের ডিউটি করার দায়িত্ব পেয়েছে টাকার বিনিময়ে।
তবে কি এভাবেই গংগাচড়া উপজেলা তে বাংলাদেশ আনসার সদস্য এর সাথে অন্যায় করা হচ্ছে।
একজন আনসার সদস্যের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, এভাবেই টাকার বিনিময়ে ডিউটি দেওয়ার রেওয়াজ আগে ছিল, কিন্তু এবারেও
যে এমনটা হবে তা আশা করিনি । আমি ভোটের ডিউটি পাইনি তাতে কোনো আফসোস নেই কিন্তু টাকা নিয়ে ডিউটি দেওয়ার নিয়মটা পরিবর্তন হক এটাই আমাদের সকল সাধারণ আনসারদের চাওয়া পাওয়া।