নীলফামারী ৩ (জলঢাকা) আসনে জনগণের ভালোবাসার ও ভরসার নাম যেনো হয়ে উঠেছে আলহাজ্ব সৈয়দ আলী।দিন যত ঘনিয়ে আসতেছে নির্বাচনী মাঠ তত শরম গরম হয়ে উঠেছে এদিকেও খবর পাওয়া যাচ্ছে চতুর্দিকে সবার মুখে মুখে, ধানের শীষের কান্ডারী আলহাজ্ব সৈয়দ আলীর জয় জয় লাভ, এবং সকল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষেই সকলেই নিজের আমানত দান করবেন ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব সৈয়দ আলীকে। সবাই মনে করেন একজন নীলফামারী ৩ (জলঢাকা) আসনে যোগ্য নিষ্ঠাবান প্রার্থীর দরকার তিনি হবে দানবীর, মায়াশীল এবং সুখে-দুঃখে জনগণের পাশে পাওয়া যায় তাকেই আমাদের দরকার তাইতো এবার নীলফামারী ৩ (জলঢাকা) আসনে প্রত্যেকটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, গ্রাম,পাড়া, মহল্লায়ে শুধু ধানের শীষের স্লোগান ১২ বয়সের থেকে শুরু করে বৃদ্ধা পর্যন্ত সবাই যেনো বলতেছে এই আসনে প্রয়োজন আলহাজ্ব সৈয়দ আলীর।
তাইতো বেশ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ইউনিয়নগুলোতে এ পর্যন্ত এগিয়ে ধানের শীষ বিভিন্ন জায়গায় ততরকি করে এরকম এই তথ্য উঠে এসেছে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে। এদিকে গোলনা ইউনিয়নে তবিবার রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান এ পর্যন্ত আমাদের এখানে যে কাজগুলোতেই বা যেকোনো বিষয়ে আমরা যদি আলহাজ্ব সৈয়দ আলীকে আমন্ত্রণ জানাই তিনি সারা দিয়ে সেটা পালন করেন এবং আমাদের প্রতি কেমন জানি মায়ার নজরে তাকান তাই আমরা তাকেই চাই কারণ তিনি এমপি নির্বাচিত হলে উন্নয়নের চাদরে জলঢাকে ঢেকে দেবে। এদিকে জলঢাকার উপজেলার শেষ প্রান্তে হরিশচন্দ্র পাঠ এলাকায় এক হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে কথা হলে তারাও বলেন যে আমরা ভোট দেবো এমন এক ব্যক্তি সে হবে জনগণের আশা ও ভরসার নাম এবং মানুষ তাকে ভালোবেসে চাইবে আলহাজ্ব সৈয়দ আলী এবং ধানের শীষে। তবে বিষয়টি নিয়ে সচেতন নাগরিকরা ও সাধারণ ভোটাররা বলতেছেন যে আমরা এই (জলঢাকা) আসনে এর আগে অনেক প্রার্থীদের দেখেছি শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছে তা পালন করেনি। আমরা প্রতিশ্রুতি চাইনা কাজ করে নিতে চাই, তাই আমাদের প্রয়োজন এই আসনে ধানের শীষের। তাই আমরা সকল ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে মুসলিম, হিন্দু, বদ্ধ, খ্রিস্টান, সকল জাত পাত ভুলে গিয়ে ধানের শীষকে এই আসনটি উপহার দেবো দেশনায়ক তারেক জিয়ার হাতে, আলহাজ্ব সৈয়দ আলীর হাতে।