June 16, 2026, 6:03 pm
শিরোনাম :
পূর্বধলায় প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ‎নওগাঁর পত্নীতলায় বিজিবির ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ,, অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিককে মারপিট, মামলায় গ্রেফতার ১ শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে চোরাই মোবাইল ও মোটরসাইকেলসহ আটক ১ বেলকুচিতে আর্ত মানবতার সেবায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন, প্রায় : ২ হাজার মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রদানের উদ্যোগ– ​প্রেমের টানে বিয়ে করেও অপহরণ ও ধর্ষণের ‘মিথ্যা’ মামলায় যুবক জেলে: সিংড়ায় ক্ষোভ, এমপি আনুর হস্তক্ষেপ কামনা ঠাকুরগাঁওয়ে আত্মহত্যা ও অপমৃত্যু রোধে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত খাল পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণে চসিকের দুই প্রকল্প, ব্যয় প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা অসুস্থ ৭৬ বছর বয়সী নারীকে আদালতে হাজিরা, মারধরের অভিযোগে এলাকায় উত্তেজনা চট্টগ্রামে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির ওপর গুরুত্বারোপ

মুড়লি রেল ক্রসিংয়ে মাদ্রাসার নামে মহাসড়কে নিয়মিত চাঁদাবাজি

মালিকুজ্জামান কাকা

নাম মোহাম্মদ আলী। মাদ্রাসার নামে বছরের পর বছর ধরে মহা সড়কে চাঁদাবাজি করছে। হ্যান্ড মাইক আর সাইন্ড বক্স টেবিলের উপর রাখা। সেটিও রাস্তার উপর। এই চাঁদাবাজি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধারাবাহিক হচ্ছে। আর তা সকলের চোখের সামনেই। যশোর শহরের গাঁ ঘেঁষে চলা মুড়লি রেল ক্রসিংয়ের ঠিক পাশেই।
স্থানীয় সমাজকর্মী ও সুধীজনেরা রেজিস্ট্রেশন বিহীন মাদ্রাসার নামে চাঁদাবাজি বন্ধে যশোরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সু দৃষ্টি কামনা করেছেন।
হাতে মাইক। এই মানুষটি চাঁদা চাইছেন। মাদ্রাসা নির্মাণ ও ছাত্র ছাত্রী পরিচালনার কথা বলছেন তিনি। ঠিক তার পিছনে একটি মাদ্রাসা। পথচারীরা জানান বহু দিন ধরে ঐ লোকটি ধর্ম ব্যাবহার করে চাঁদা তুলেই চলেছে। কেউ তার চাঁদা বাজিতে বাঁধা দেয় না।
একটু খোঁজ খবর নিতেই জানা গেল লোকটির বাড়ি চাঁচড়া দাঁড়িপাড়ায়। সেখানে তার আলিশান বাড়ি আছে।
তবে ঘটনার এখানেই শেষ নয়। আগে চাঁদা তুলে তার অংশ বিশেষ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ক্যাডার মাস্তান কে দিত। এখন তিনি উঠানো চাঁদার টাকার ভাগ দেন কাজীপুরের ২/৪ জন বিএনপির আঞ্চলিক নেতাকে। এরা রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের আওতাভুক্ত ২নং ওয়ার্ড কাজীপুরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। চাঁদা বাজির আসে পাশে মঙ্গল ও বুধবার ঐ সব নেতাকে দেখা যায়নি। চেনা জানা না থাকায় তাদের মতামত জানাও সম্ভব হয়নি। তবে মাদ্রাসার নামে যথারীতি চাঁদা বাজি করতে দেখা গেছে।
আরো খোঁজ নিতে জানা যায় যে মাদ্রাসার নামে সে টাকা তুলছে তার রেজিস্ট্রেশন নেই। অর্থাৎ এটি অবৈধ চাঁদাবাজি কোন সন্দেহ নাই।
স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিরা জানান এলাকার সচেতন সুধী জন বহুবার তাকে চাঁদা তুলতে নিষেধ করেছে। কিন্ত তার পিছনে রয়েছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। যারা অভয় দিয়ে তার মাধ্যমে চাঁদাবাজি করাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কয়েক বার স্থানীয় লোকজনের সাথে ঐ চাঁদাবাজ মোহাম্মদ আলীর কথা কাটাকাটি হয়েছে। কিন্ত সে কারো কথা আমলে নেয়নি। এখন তারা এই চাঁদাবাজি বন্ধে জেলা প্রশাসনের দিকে চেয়ে রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা