সরকারি চাকরি করেন না, তবুও সরকারি লোগো পেজ ব্যবহার করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা
Reporter Name
- Update Time :
Tuesday, March 31, 2026
/
-
59 Time View
/
-

বিশেষ প্রতিনিধি:
অনলাইনে সরাসরি চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রতারক শামসুজ্জামান সোহাগের ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব রেহানা আক্তার প্রায় হাতিয়ে নিয়েছে ১০ লক্ষ ১৫ হাজার টাকি। তিনি কোন সরকারি কর্মকর্তা নন, তবুও হোয়াটসঅ্যাপে ফেসবুকে ব্যবহার করে সরকারি লোগো যেনো মানুষকে প্রতারণা করা খুব সহজ ব্যাপার হয়ে যায় এবং হাতিয়ে নিতে পারে মানুষের কাছে টাকা। গোপন সংবাদে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে সে এ পর্যন্ত সারা বাংলাদেশে একাধিক মেয়ে মানুষকে তার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এভাবে প্রতারণা করে আসতেছে। এবং অনেক মেয়ে মানুষকে বিভিন্ন প্রেমের প্লাবনও দেখিয়ে এসব কাজ করেন তিনি পঞ্চগড় জেলার দেবিগঞ্জ ভাবলগঞ্জ এলাকার শামসুজ্জামান সোহাগ। সচেতন ব্যক্তিরা বলতেছেন যে এরকম একজন প্রতারক শামসুজ্জামান তিনি সরকারি কর্মকর্তা নয়, তবুও সরকারি লোগো ফেসবুক পেজে এবং হোয়াটসঅ্যাপে ব্যবহার করেন তাতে করে দেখা যায় অনেকেই মনে করেন তিনি সরকারি কর্মকর্তা। তাই দেখে বিভিন্ন বিভ্রান্ত করে সে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন এটা আসলে দেশের জন্য এক বড় ক্ষতিকর। এরকম একটি তথ্য উঠে এসেছে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে রেহানা আক্তার নামে এক মেয়ের কাছে প্রথমে অনলাইনে ক্লাস শুরু, তারপরে পরিচয়, তারপরেই ১০ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা বিভিন্ন প্লাবন দেখিয়ে হাতিয়ে নেয়। এখন নিঃস্ব হয়ে সবার দুয়ারে, দুবারে রেহানা আক্তার বিচার পাইনি কোথাও গিয়ে, শোনা যায় রেহানা আক্তার নীলফামারী সদর এলাকার কচুকাটা ইউনিয়নে বাড়ী বাবা মা নেই এতিম মেয়ে। তাই সচেতন ব্যক্তি ও জনসাধারণ মানুষেরা
বলতেছেন প্রতারক শামসুজ্জামান সোহাগকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে যেনো এরকম প্রতারণা কেউ করতে না পারে। এবং বাংলাদেশের যে সকল মানুষদের টাকা সে হাতিয়ে নিয়েছে তা তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। এবং বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে যতগুলো অভিযোগ শতভাগ সত্যতা নিশ্চিত করেছে সংগঠনটি।
আরও সংবাদ