জাতীয় সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রা’ পত্রিকার বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার বিষয়টি বেশ পুরনো এবং আলোচিত।
Reporter Name
- Update Time :
Saturday, April 4, 2026
/
-
50 Time View
/
-

তথ্যসূত্র ও সোর্স:
১. আদালতের রায় ও অর্থদণ্ড (২০২৪):
২০২৪ সালের ২৬ মে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালত ‘সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রা’র সম্পাদক এস. এম. মোরশেদ এবং সিনিয়র রিপোর্টার এজাজ রহমান-কে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করেন।
ঘটনা: তারা ইসলামী ব্যাংকের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানহানিকর এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছিলেন।
সাজাসমূহ: সম্পাদক এস. এম. মোরশেদকে ২ লাখ টাকা জরিমানা (অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড) এবং রিপোর্টারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সোর্স: বাংলা ট্রিবিউন, ঢাকা পোস্ট।
২. মিথ্যাচারের ধরণ:
আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে যে, এই পত্রিকাটির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে “নারী লোভী”, “মাদকাসক্ত”, বা “নারী পাচারকারী” হিসেবে মিথ্যা তকমা দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হতো এবং পরবর্তীতে সেগুলো ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হতো।
যাদের নিজেদের চরিত্র আর সাংবাদিকতার নমুনা আদালতের রায়েই প্রমাণিত, তাদের মুখে বড় কথা মানায় না। মনে রাখবেন, ২০২৪ সালের ২৬ মে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালত ‘অপরাধ বিচিত্রা’র সম্পাদককে ২ লাখ টাকা জরিমানা আর কারাদণ্ড দিয়েছিল স্রেফ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার চালানোর অপরাধে।
(সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন/ঢাকা পোস্ট)।
সুতরাং, ভুয়া ডাক্তার আর সাজাপ্রাপ্ত অপপ্রচারকারী রা একসাথে হাত মিলিয়েছেন, তারা জেনে রাখুন—মিথ্যার আয়ু বেশিদিন থাকে না। আইনের হাত থেকে আপনারা আগেও বাঁচতে পারেননি, এবারও পারবেন না।
ঘটনা ছিল কি জানেন?? আমার প্রাক্তন ভিডিও বানিয়ে নিয়ে তার কাছে রেখে দিয়েছিল এবং আমি তাকে নিজে ডিভোর্স দেওয়ার পরেও কয়েকবার ব্ল্যাকমেলিং করে, ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আমার কাছে চাঁদাবাজির স্টাইলে টাকা পয়সা হাতে নিয়েছে। গত ৮ ই মার্চ সাংঘাতিক অপরাধ বিচিত্রার সুইটি সিনহা আমার নিজ বাসায় এসে আমার কাছে টাকা দাবি করে এই ভিডিওটি তাদের হাতে এসেছে এবং আরো কয়েকটি গণমাধ্যমে গিয়েছে এই ভিডিও সে বন্ধ করে দিবে তার সম্পাদকের সহযোগিতায়। আমি জিজ্ঞাসা করলাম তাহলে কি করতে হবে আমাকে ১০ লক্ষ টাকা দিতে বলে যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই ভিডিও চলে গেছে ভিডিও বন্ধ করতে হলে তাকে যদি ১০ লক্ষ টাকা দেই, তাহলে সে তার সম্পাদক এসএম মোর্শেদের সহযোগিতায় আমার এই ভিডিওটি প্রচারণায় আসতে দিবে না।
কি বুঝলেন?
আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালাম এবং তার সাথে খুব ক্ষেপে গেলাম। যে সে সাংবাদিক হয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেলিং করার সহযোগিতা করছে এবং চাঁদা দাবি করছে আমি পুলিশ কল দিব ট্রিপল নাইনে জাতীয় জরুরী সেবায়। এরপর আমি জাতীয় জরুরি সেবায় ট্রিপল নাইনে কল দেই এবং পুলিশ রেকর্ড আছে ঘটনার দিন সে আমার বাসায় এসেছিল, পুলিশ দিয়ে বাধ্য করি আমার ঘর থেকে বের থেকে।
চাঁদাবাজ মহিলা নিজেকে খুব চালাক ভাবে অতি চালাকের গলায় দড়ি। এরা যে মানুষের অপপ্রচারণা করে পূর্বে ও প্রমাণিত এবারও প্রমাণিত হবে।
এরা তো নতুন চাঁদাবাজ না পুরনো চাঁদাবাজ সাথে রইল আমার প্রাক্তন আমার হাতে তার অপকর্মের এত বড় একটা ঝুলি রয়েছে, খেলা হবে কোর্টে।
সিয়ার মামলা যথেষ্ট ইনভেস্টিগেশন হয় আল্লাহ চাহে তো এই চাঁদাবাজ এবং সেই ভুয়া ডাক্তারের সকল কিছু উন্মোচন হবে শুধু সময়ের অপেক্ষা ইনশাআল্লাহ।
আরও সংবাদ