২০২০ সাল থেকে একটি পত্রিকার মালিকানা হস্তান্তর হয়, তথ্য মন্ত্রণালয়ের আইন অনুযায়ী যদি কোন সম্পাদক প্রকাশক কোন পত্রিকা পরিচালনা করতে ব্যর্থ হন, সেক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দিয়ে, পত্রিকার মালিকানা হস্তান্তর করা হয়। এখন ২০২০ সাল থেকে একটি পত্রিকার মালিকানা হস্তান্তর করা হলো, যিনি ভারপ্রাপ্তের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন, তিনি নিরলসভাবে সরকারি ভ্যাট ট্যাক্স এবং নিয়মিত পত্রিকা প্রিন্ট দিয়ে আসছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পত্রিকাটির যে ছাপাখানা সেটাও নির্ধারিতভাবে তাদের সাথে কন্টাক্ট ফর্ম রয়েছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পত্রিকাটির বর্তমান যে অফিস সে অফিসটিও নির্ধারিত রয়েছে, এখানে প্রতিটি দলিল সুস্পষ্ট, এখন ২০২৪ সালে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কে কেন্দ্র করে এক দল বাটপার গ্রুপ এসে এই পত্রিকাটি বর্তমান মালিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাত থেকে সন্ত্রাসী কায়দায় অফিস ভাঙচুর করে এবং সেই মালিকটিকে গাড়িতে হামলা করে মেরে ফেলার পর্যন্ত অপচেষ্টা করা হয়েছিল। পরে কোন ডকুমেন্ট ছাড়াই রাতারাতি বনে গেলেন মালিক বাটপার বিপ্লব ও মাগুরার বেলাল।
তাদের সাথে যুক্ত আরো কিছু চন্ডীদাস। একটা সময় আসলো বর্তমান মালিকের পালা। তার যোগ্যতা তার দক্ষতা তার নেতৃত্ব তার প্রতি সরকারি দায়িত্ব গুনে সে তার সমস্ত কিছু আবার পুনরায় দখল নিল।
দখল নেওয়ার পর দেখল তার পত্রিকাটি কোটি কোটি টাকার কার্ড বাণিজ্য হয়েছে, এই প্রশ্নের জবাব কি কোন সাংবাদিক সমাজ দিতে পারবে?
এই ধরনের অরাজগতার কি বিচার বাংলাদেশে হবে না?
এই কুচক্র মহল ঠিক ছেঁড়া কাঁথার তলে রাত জেগে স্বপ্ন দেখার বাহানা করেছিল। ধরতে পারেন ফকিন্নির বাচ্চা কোটিপতি ওয়ালা র সাথে পাল্লা নিল।
লাভ কি?
ফকিন্নি তাদের কাতারে থেকে গেল, এবং কোটিপতি আনা তার কোটিপতির ক্ষমতা দেখালো।
এখন বিচারের পালা দেখবে জাতি, দেখবে গোটা সাংবাদিক সমাজ, একজন নেতার কি দক্ষতা, একজন সরকারি প্রতিনিধির কি দক্ষতা, একজন লিগাল মালিকের কি ক্ষমতা।
আমাদের মনে হচ্ছে এই বিচারটা হবে চরম এবং খুবই কঠিন মারাত্মক।
ছাড় কোনদিন হবে না, এই ধরনের অপরাধীদের ছাড় হবে না। এটাই বাস্তব।
হোক ইতিহাস কিছু স্বৈরাচারী রাস্তার কুকুর পন্থী,
মানুষরূপে জানোয়ারদের। নিচে কিছু ডকুমেন্ট রইল সবাই দেখার অনুরোধ রইলো তারপরে সবাই বিবেককে প্রশ্ন করবেন কিভাবে সংবাদ মাধ্যমকে বিতর্কিত করে।
এদের বিচার হবে ইনশাল্লাহ,