April 24, 2026, 10:31 am
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় ধানের দামের চেয়ে শ্রমিকের মজুরির মূল্যে বেশি। ডুমুরিয়ায় তীব্র লোডশেডিং ও তাপদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন: ব্যাহত হচ্ছে সেচ ও শিক্ষা কৃষকের গোয়াল থেকে তিনটি গরু নিয়ে গেলো এক সুদি মহজন। ধামইরহাটে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ জব্দ যুদ্ধ ও আধিপত্যবিরোধী কনসার্ট’ এর সংবাদ প্রচারের জন্য একজন প্রতিবেদক ও আলোকচিত্রী প্রেরণ প্রসঙ্গে মুন্সিগঞ্জ মিরকাদিমে মিনি স্টেডিয়াম মাঠ টুর্নামেন্টের উপলক্ষে ক্রেস্ট প্রদান : ইউএনও নারায়ণগঞ্জ ১৭৭ জন কে ভুল প্রশ্নপত্র কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র সচিব মতিন সরকার কে অব্যাহতি চৌদ্দগ্রামে কাভার্ডভ্যান চাপায় মোটর সাইকেল চালক নিহত। ডুমুরিয়ায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের আওতায় নতুন কুঁড়ি স্পের্টস কর্মসূচি বাস্তবায়ন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা দীর্ঘদিনেও বাস্তবায়ন হয়নি ফকিরহাট উপজেলা / থানা স্থানীয়দের হতাশা ও দাবি জোরালো

কৃষকের গোয়াল থেকে তিনটি গরু নিয়ে গেলো এক সুদি মহজন।

Reporter Name

কৃষকের গোয়াল থেকে তিনটি গরু নিয়ে গেলো এক সুদি মহজন।

বিশ্বজিৎ চন্দ্র সরকার :- বিশেষ প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়নের আট্টরা বাড়ী গ্রামের দারিদ্র্য কৃষক আলতাফ হোসেন গাজী আট বছর আগে মেয়ে কে বিদেশ পাঠানোর সময় প্রয়োজন হয় টাকার। সে টাকার জন্য দারস্থ হয়ে প্রতিবেশী মৃত মজিদ গাজীর ছেলে সুদি মহাজন আবুল গাজী। আবুল গাজীর নিকট হতে আলতাফ হোসেন গাজী মাত্র ৩৫ হাজার টাকা সুদে আনেন, ৩৫ হাজার টাকায় সুদ হিসেবে দিতে হবে প্রতি বছর ১৭ মন ধান।
দারিদ্র্য কৃষক আলতাফ হোসেন গাজী প্রথম বছর ১৬ মন ধান সুদ হিসেব পরিশোধ করেন।
তার পর সেজ মেয়ে ছায়মার দেখা দেয় দুরারোগ্য অসুখ যার কারনে সুদের টাকা বা ধান দিতে না পারায় প্রতি বছর চক্র বৃদ্ধি হারে টাকা যোগ হয় আসল টাকায়।
কৃষক আলতাফ হোসেন গাজী বলেন এ পর্যন্ত তিনি ১৬ মন ধান সহ এক কিস্ততে পরিশোধ করেন ৮৫ হাজার টাকা, দ্বিতীয় কিস্তিতে ৫৫ হাজার টাকা, তৃতীয় কিস্তিতে পরিশোধ করেন ১ লক্ষ টাকা, এবং তার পরে দিয়েছেন ৫০ হাজার টাকা। ৩৫ হাজার টাকায় আট বছরে আলতাফ হোসেন গাজী বলেন প্রায় তিন লক্ষ ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করার পর ও সুদি মহাজন আবুল গাজীর দাবী এখনও সাড়ে তিন লক্ষ টাকা।
সেই টাকা গতকাল বুধবার রাতে আবুল হোসেন গাজী তার স্ত্রী – সন্তান নিয়ে বাড়ীতে এসে টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে এবং অকথ্য ভাষায় গালা গাল করে, একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সুদি টাকার জন্য দারিদ্র্য কৃষক আলতাফ হোসেন গাজীর গোয়াল ঘর থেকে একটি দুধের বাছুর ও দুটি বড় গরু নিয়ে যায় তার বাড়ীতে।
দারিদ্র্য কৃষক আলতাফ হোসেন গাজী বলেন গরু দুটি আমি পাশের গ্রাম থেকে বরগা এনে লালন পালন করি,

সুদিমহাজন আবুল হোসেন গাজীর বাড়ীতে গিয়ে ছোট্ট একটি ঘরে দেখা মিলছে গুরু তিনটি। আবুল হোসেন গাজীর স্ত্রী সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমারা চার লক্ষ টাকা দিয়েছি কিন্তু টাকা পরিশোধ না করার কারনে আমরা গরু নিয়ে আছসি। তবে আবুল হোসেন কে তার বাড়ীতে পাওয়া যায় নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা