June 22, 2026, 4:56 am
শিরোনাম :
মনপুরায় টেকসই বেড়িবাঁধের ওপর পাকা রাস্তা নির্মাণ ও সোলার লাইট স্থাপনের দাবী, আন্দোলনের হুমকি দেড় লাখ উপকূলেবাসীর, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন এমপি নয়নের.। মৌলভীবাজারে ফল ব্যবসায়ীর উপর পূর্ব বিরোধে হামলা নাকি মিথ্যা মামলা? – পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে যেন রহস্যে ঘেরা! মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে আবারও ভাসল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী অভিনয়ে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম কাহারোলের তোফা কুর্রায়েশী কাহারোলে সতীঘাটা মহাশশ্মানে শিব মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করলেন, বিএনপি সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাদশা কাবা শরিফের গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার চট্টগ্রামের মুখতার আলম, বাংলাদেশের অনন্য গৌরব মান্দায় জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন,, নরসিংদীর শখের পাঁচ সিল্কি মুরগি থেকে সফল উদ্যোক্তা স্কুলশিক্ষক মোবারক শরণখোলায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস ও ফল মেলার উদ্বোধন  বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অনুরোধ: সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে-

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ধামরাইয়ের ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনে ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন

মিলন সিদ্দিকী

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ধামরাইয়ের ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনে ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন

ঢাকা ধামরাই প্রতিনিধি মিলন সিদ্দিকী

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-২০ ধামরাই আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ইলেকট্রিক ডিভাইস স্থাপনের কাজ চলছে। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এসব কার্যক্রম নেওয়া হলেও, ব্যয় ও কাজ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা, বিদ্যুৎ সংযোগসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক কার্যক্রমের জন্য একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের ব্যয় ধরা হয়েছে। এ বিষয়ে কুল্লা ইউনিয়নের সচিবকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, ধামরাই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঠানো একটি চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, প্রতি ভোটকেন্দরের জন্য এক লাখ টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে।
এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলার বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান বলেন, “প্রত্যেকটি ইউনিয়নের জন্য এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।”
তবে এই অর্থ ব্যয়ে সিসিটিভি ও আনুষঙ্গিক কাজ কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে—তা নিয়ে স্পষ্ট তথ্য মিলছে না। টেন্ডারের মাধ্যমে কাজটি হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি জানান, কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমেই কাজটি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, একটি বিদ্যালয়ভিত্তিক ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক জানান, “এ বিষয়ে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। ইউএনও অফিস থেকেই এসে কাজ করে দিয়ে যাচ্ছে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, নির্বাচন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যয়, কাজের পদ্ধতি এবং দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানানো প্রয়োজন। নতুবা ভবিষ্যতে এ নিয়ে বিভ্রান্তি ও প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা