June 13, 2026, 9:00 am
শিরোনাম :
‎নওগাঁর পত্নীতলায় বিজিবির ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ,, অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিককে মারপিট, মামলায় গ্রেফতার ১ শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে চোরাই মোবাইল ও মোটরসাইকেলসহ আটক ১ বেলকুচিতে আর্ত মানবতার সেবায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন, প্রায় : ২ হাজার মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রদানের উদ্যোগ– ​প্রেমের টানে বিয়ে করেও অপহরণ ও ধর্ষণের ‘মিথ্যা’ মামলায় যুবক জেলে: সিংড়ায় ক্ষোভ, এমপি আনুর হস্তক্ষেপ কামনা ঠাকুরগাঁওয়ে আত্মহত্যা ও অপমৃত্যু রোধে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত খাল পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণে চসিকের দুই প্রকল্প, ব্যয় প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা অসুস্থ ৭৬ বছর বয়সী নারীকে আদালতে হাজিরা, মারধরের অভিযোগে এলাকায় উত্তেজনা চট্টগ্রামে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির ওপর গুরুত্বারোপ গাইবান্ধায় সামাজিক বনায়নের সবুজ বিপ্লব: নিরলস প্রচেষ্টায় বদলে যাচ্ছে জেলার পরিবেশ

টুঙ্গিপাড়ায় কৃষি উদ্যোক্তার উদ্যোগ অবহেলিত, পাশে নেই উপজেলা কৃষি অফিস”

বিশ্বজিৎ চন্দ্র সরকার – জেলা প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ

টুঙ্গিপাড়ায় কৃষি উদ্যোক্তার উদ্যোগ অবহেলিত, পাশে নেই উপজেলা কৃষি অফিস”

বিশ্বজিৎ চন্দ্র সরকার – জেলা প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বালাডাঙ্গা মৌজায় পৌরসভার পানির প্লান্ট সংলগ্ন টুঙ্গিপাড়া–কোটালীপাড়া মহাসড়কের পাশেই প্রায় ১৩ বিঘা জমিতে কৃষি খেত পরিচালনা করছেন উদ্যোক্তা কৃষক মোঃ আমিনুর শেখ। প্রায় ১৪ মাস ধরে তিনি এই খেতটি পরিচালনা করছেন, যেখানে রয়েছে উন্নত জাতের আখের চাষ, বাঙ্গি চাষ, মাছ চাষসহ বিভিন্ন মৌসুমি সবজির আবাদ। খেতটিতে প্রতিদিন ১০–১২ জন শ্রমজীবী কৃষক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

তবে উদ্যোক্তার দাবি, কৃষি থেকে আয় হওয়ার পরিবর্তে বর্তমানে ব্যয়ই হচ্ছে বেশি। তিনি বলেন,
“ঋণ নিয়ে চাষ শুরু করেছি। ভেবেছিলাম কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও পরামর্শে লাভবান হতে পারবো। কিন্তু আজ পর্যন্ত কৃষি অফিসের কাছ থেকে কোনো সহায়তা বা পরামর্শ পাইনি।”

আমিনুর শেখ অভিযোগ করেন, উপজেলা কৃষি অফিসের কাছেই তার এই বিশাল কৃষি খেত হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো খোঁজখবর রাখেননি। তিনি হতাশ হয়ে বলেন,
“সরকারি সুবিধা কারা পায় তা আমরা জানি না। ভেবেছিলাম অন্তত পরামর্শ পাবো, কিন্তু বারবার চেষ্টা করেও কোনো সহায়তা পাইনি।”

স্থানীয় কৃষক মোকসেদ বলেন, “আমি শুরু থেকেই এখানে কাজ করছি। কখনও দেখিনি কৃষি অফিস থেকে কেউ এসে খোঁজ নিয়েছে। অথচ আমরা শুনি কৃষকদের জন্য অনেক কিছু বরাদ্দ থাকে। সেগুলো কোথায় যায়?”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিব হোসেন জানান, “আমি এ খেত সম্পর্কে আগে জানতাম না। তবে কৃষক আমিনুর সম্প্রতি আমার সাথে দেখা করেছেন। আগামীতে কোনো সরকারি প্রণোদনার সুযোগ এলে তাকে সহায়তা করার চেষ্টা করবো।”

তবে তিনি আরও বলেন, “টুঙ্গিপাড়া এলাকায় আখ চাষ উপযোগী নয়। কারণ এখানে খালের পানি লবণাক্ত হওয়ায় সেচের মাধ্যমে ফসলের ক্ষতি হতে পারে।”

এলাকার সচেতন মহলের প্রশ্ন, কৃষি অফিসের চোখের সামনেই এত বড় কৃষি উদ্যোগ পরিচালিত হলেও উদ্যোক্তা কোনো সহায়তা বা পরামর্শ পেলেন না কেন? আর এত সার, বীজ, কৃষি যন্ত্রপাতি আসলে কারা পাচ্ছেন—এ প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারণ মানুষের মনে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা