নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় গণতন্ত্রের মহোৎসবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
মোঃ শামছুল আলম লিটন ব্যুরো চীফ উত্তরবঙ্গ:অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরবর্তী পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এটিই প্রথম সাধারণ নির্বাচন, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। একইসাথে জনগণের রায়ে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার এই লড়াইকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে অভূতপূর্ব এক নিরাপত্তার বলয়।
নিরাপত্তার নিশ্ছিদ্র বলয় গড়ে তোলা হয়েছে বগুড়া থেকে বগুড়া প্রান্তিক জনপদ জানা গেছে, বগুড়ার প্রতিটি অলিগলি থেকে শুরু করে দেশের দুর্গম চরাঞ্চল পর্যন্ত প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের নির্বাচনে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে ভোটকেন্দ্রগুলোতে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন রয়েছে বিজিবি ও র্যাব। শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ টহলে থাকছে সেনাবাহিনী।বগুড়ায় সাত টি নির্বাচনী আসনে জন্য ৪৪ জন এক্সিকিউটিভ দায়িত্ব পালন করছেন।এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের টহল রয়েছে পুরো নির্বাচনী এলাকায়। এবং জানাগেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনের শুরু থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত প্রতিটি বিষয় তারা পর্যবেক্ষণ করবেন। এজন্য বগুড়ায় তাদের ৬টিম কাজ করছেন।আজ সকালে বগুড়া -৬ আসনের হাসনাত জাহান ভান্ডারী স্কুলে ও ঠনঠনিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের এসে দেখা গেছে ভোটার আসা শুরু হয়েছে এবং ভোট দিচ্ছেন।
বগুড়ায় ৭টি সংসদীয় আসনে ৩৫জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও শেষ মুহুর্তে দু’জন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন শেষ এখন ভোটের লড়াইয়ে ৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।
বগুড়া সাতটি আসনে মোট ভোটার রয়েছে ২৯ লাখ ৮১ হাজার ৯৪০জন। এর মধ্যে মহিলা ভোটার ১৫ লক্ষ ১ হাজার ২৭ জন এবং পুরুষ ভোটার ১৪ লক্ষ ৮০ হাজার ৮ শত ৭১ জন এবং ৪২ হিজড়া। বগুড়া জেলার ৭টি সংসদীয় আসনে মোট ৯৮৩টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে এবং ৫৪৭৮ টি ভোটকক্ষে এসব ভোট গ্রহন করা হচ্ছে। এর মধ্যে ১৯০টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং ৩১০টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।