আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব সৈয়দ আলীর সমর্থনে ব্যাপক নির্বাচনী জোয়ার পরিলক্ষিত হচ্ছে। দিনরাত প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থী এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় ধানের শীষের সমর্থনে সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি ও গণজোয়ার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রধান সমন্বয়ক মুক্তা হিমাগারের এম ডি শরিফুল ইসলাম বাবু জানান, তারা নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলছেন। প্রতিদিন রাত ৮টার আগেই সকল প্রকার গণসংযোগ ও নির্বাচনী কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের নেতা নয়, সন্তান হিসেবে পাশে থাকতে চাই। জলঢাকা আসনটি দীর্ঘদিন অবহেলিত। আপনারা ধানের শীষকে জয়যুক্ত করলে এই আসনকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি ১২ই ফেব্রুয়ারি সকালে ভোটারদের কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র পাহারার আহ্বান জানান।
সরেজমিনে বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে সচেতন নাগরিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ব্যক্তি হিসেবে আলহাজ্ব সৈয়দ আলীর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে তার একটি বড় ভোট ব্যাংক রয়েছে। অনেক ভোটার গোপনে তাকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ভোটাররাও নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তারা জানান, কোনো প্রকার হুমকি-ধামকিতে তারা পিছপা হবেন না এবং ১২ই ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমেই তার জবাব দেবেন।
নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব সৈয়দ আলী বলেন, আমি সমালোচনা বা কাদা ছোড়াছুড়িতে বিশ্বাসী নই। অতীতে দু’বার উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন আমি কী উন্নয়ন করেছি, তা আমার এলাকার জনগণই ভালো জানেন। আমার কোনো লোভ-লালসা নেই; একমাত্র লক্ষ্য হলো অবহেলিত জলঢাকাবাসীকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া। আশা করি, ভোটাররা সঠিক জায়গায় তাদের আমানত প্রদান করবেন।
তিনি আরও যোগ করেন যে, এবারের নির্বাচনে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হবে না এবং একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।