June 22, 2026, 7:17 am
শিরোনাম :
মনপুরায় টেকসই বেড়িবাঁধের ওপর পাকা রাস্তা নির্মাণ ও সোলার লাইট স্থাপনের দাবী, আন্দোলনের হুমকি দেড় লাখ উপকূলেবাসীর, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন এমপি নয়নের.। মৌলভীবাজারে ফল ব্যবসায়ীর উপর পূর্ব বিরোধে হামলা নাকি মিথ্যা মামলা? – পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে যেন রহস্যে ঘেরা! মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে আবারও ভাসল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী অভিনয়ে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম কাহারোলের তোফা কুর্রায়েশী কাহারোলে সতীঘাটা মহাশশ্মানে শিব মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করলেন, বিএনপি সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাদশা কাবা শরিফের গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার চট্টগ্রামের মুখতার আলম, বাংলাদেশের অনন্য গৌরব মান্দায় জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন,, নরসিংদীর শখের পাঁচ সিল্কি মুরগি থেকে সফল উদ্যোক্তা স্কুলশিক্ষক মোবারক শরণখোলায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস ও ফল মেলার উদ্বোধন  বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অনুরোধ: সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাটি কাটার মহোৎসব: হুমকিতে তিন ফসলি কৃষিজমি।

Reporter Name

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাটি কাটার মহোৎসব: হুমকিতে তিন ফসলি কৃষিজমি।
নিজেস্ব প্রতিবেদক ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবৈধভাবে তিন ফসলি কৃষিজমির মাটি কাটার উৎসব যেন থামছেই না। প্রভাবশালী একটি মহল প্রকাশ্যে ভেকু মেশিন ব্যবহার করে কৃষিজমির মাটি কেটে তা স্থানীয় ইটভাটা ও বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে। এতে একদিকে যেমন কৃষি জমি ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ ও গ্রামীণ অবকাঠামো।
জেলা সদর উপজেলা ছাড়াও নবীনগর ও বিজয়নগর উপজেলায় নির্বিচারে কৃষিজমির মাটি কাটা হচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, নবীনগর উপজেলার রসুলপুর, কুড়িঘর, বিদ্যাকুটসহ বিভিন্ন এলাকায় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার হাবলচ্য, সেন্দা ও শিলাউর এলাকায় আইন অমান্য করে দিনের পর দিন এই মাটিকাটা কার্যক্রম চলছে।
স্থানীয়রা জানান, একসময় এসব এলাকায় বছরে তিনবার ফসল উৎপাদন হতো। কিন্তু এখন মাটি কেটে জমিগুলো পুকুর ও ডোবায় পরিণত করা হচ্ছে। ফলে কমছে ফসল উৎপাদন, কর্মহীন হয়ে পড়ছেন কৃষকরা এবং নষ্ট হচ্ছে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ।
মাটি পরিবহনে ভারী ট্রাক ও মাহেন্দ্র ট্রলি ব্যবহারের কারণে ইউনিয়ন ও গ্রামীণ সড়কগুলো দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক জায়গায় সড়কে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে, যা যানবাহন চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন অবৈধ মাটিকাটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করা হলেও কার্যকর ও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে মাটিসন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
যদিও কৃষিজমি রক্ষায় সরকারের কড়া নির্দেশনা ও আইন রয়েছে, বাস্তবে তা কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মূল্যবান তিন ফসলি কৃষিজমি সম্পূর্ণভাবে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা