মা দর্জির কাজ করে মেয়েকে ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলেন, দ্বিতীয় সন্তান নেয়নি! বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ছিল এই মেয়েটি!স অথচ এই মেয়ে বাবা-মায়ের কথা চিন্তা না করে এভাবেই চলে গেল….
এমন সন্তান যেন আর কোন মায়ের গর্ভে না জন্মে! ছোটবেলায় বাল্য শিক্ষায় পড়েছিলাম, “একের এক নামে হাতে কিছু থাকে না!” তাই অধিক সন্তান জন্মদিন, একটা চলে গেলেও আরেকটা থাকবে! বৃদ্ধ বয়সে একাকীত্ব জীবনযাপন করতে হবে না! এই মায়ের এক ফোটা চোখের জলের কারণে মেয়েটির জীবন নরকের চেয়েও যন্ত্রণাদায়ক হবে! একটু অপেক্ষা করেন, “প্রকৃতি ছাড় দেয় কিন্তু ছেড়ে দেয় না!”
উল্লেখ্য, পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার কালিশুরী এলাকার মনীষা রানী নামের এই হিন্দু মেয়েটি গত পরশু মোঃ সোহান মোল্লার সাথে পালিয়ে যায়! কলেজ পড়ুয়া মেয়েটিকে মায়ের সামনে হাজির করলে সে বলে দেয় যে, সে তার বাবা মার সাথে যাবে না! তার প্রেমিকের সাথে যাবে এবং বিয়ে করে সংসার করবে। মেয়েটির মায়ের করুন আত্মচিৎকারে সেখানে সৃষ্টি হয় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য! দুর্ভাগ্যের বিষয় মায়ের এমন বুকফাটা আর্তনাদেও মেয়েটির পাষান মন গলাতে পারেনি। অভাগী মাকে ফিরে যেতে হয়েছে খালি হাতে! এটাই হয়তো তার নিয়তিতে লেখা ছিল।
সচেতন হোন হিন্দু অভিভাবকগণ! সঠিকভাবে সবসময় খোঁজ খবর রাখুন আপনাদের স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েদের প্রতি! একবার যদি চলে যায় তাহলে হাজার চেষ্টা করেও আর ফিরে পাবেন না! তাই সময় থাকতে সাবধান হোন, সচেতন হন….
✍️ গৌতম দাদা।