June 13, 2026, 10:30 am
শিরোনাম :
‎নওগাঁর পত্নীতলায় বিজিবির ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ,, অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিককে মারপিট, মামলায় গ্রেফতার ১ শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে চোরাই মোবাইল ও মোটরসাইকেলসহ আটক ১ বেলকুচিতে আর্ত মানবতার সেবায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন, প্রায় : ২ হাজার মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রদানের উদ্যোগ– ​প্রেমের টানে বিয়ে করেও অপহরণ ও ধর্ষণের ‘মিথ্যা’ মামলায় যুবক জেলে: সিংড়ায় ক্ষোভ, এমপি আনুর হস্তক্ষেপ কামনা ঠাকুরগাঁওয়ে আত্মহত্যা ও অপমৃত্যু রোধে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত খাল পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণে চসিকের দুই প্রকল্প, ব্যয় প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা অসুস্থ ৭৬ বছর বয়সী নারীকে আদালতে হাজিরা, মারধরের অভিযোগে এলাকায় উত্তেজনা চট্টগ্রামে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির ওপর গুরুত্বারোপ গাইবান্ধায় সামাজিক বনায়নের সবুজ বিপ্লব: নিরলস প্রচেষ্টায় বদলে যাচ্ছে জেলার পরিবেশ

মৌলভীবাজারের সম্ভাবনা থাকলেও নানা সংকটে পর্যটন শিল্প

মনজু বিজয় চৌধুরী,মৌলভীবাজার॥

  1. মৌলভীবাজারের সম্ভাবনা থাকলেও নানা সংকটে পর্যটন শিল্প
    মনজু বিজয় চৌধুরী,মৌলভীবাজার॥
    সারি সারি চা-বাগান, পাহাড়, হাওর আর দৃষ্টিনন্দন পর্যটন কেন্দ্রের অপার সম্ভাবনাময় মৌলভীবাজার জেলা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই জেলায় রয়েছে মাধবকু- জলপ্রপাত, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাত, হাকালুকি হাওর, বাইক্কা বিলসহ অসংখ্য আকর্ষণীয় স্থান। কিন্তু নানা সংকটে আজ পর্যটন শিল্প। সঠিক পদক্ষেপ না থাকায় দিনদিন কমছে পর্যটকের সংখ্যাও।
    জানা যায়, নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপরূপ এ জেলা সরকারিভাবে ২০০৮ সালে পর্যটন জেলা ঘোষণা করা হলেও এক যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। তারপরও মৌলভীবাজারের পর্যটনশিল্প আশানুরূপ বিকাশ পায়নি।
    জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ সীমাবদ্ধ থেকে গেছে গুটিকয়েক পর্যটনকেন্দ্রের সংরক্ষণে। ফলে এখানকার পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। এদিকে সংশ্লিষ্টরা মনে কনে মৌলভীবাজারের পর্যটন খাতের যদি কোনো উন্নয়ন হয়ে থাকে তবে তা ব্যক্তি উদ্যোগে। সরকারি উদ্যোগে পর্যটনের দৃশ্যায়িত কোনো উন্নয়ন দেখা যায়নি। পর্যটনের সবচেয়ে বড় খাত আবাসন। সরকারি সহযোগিতা না থাকায় রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে নানান সমস্যায় ভূগছেন হোটেল রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা। জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ সীমাবদ্ধ থেকে গেছে গুটিকয়েক পর্যটনকেন্দ্রের সংরক্ষণে। ফলে এখানকার পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। পর্যটকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তবে এটি কাজে লাগাতে হলে সঠিক পরিকল্পনা এবং সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। কর্মসংস্থান বাড়বে, ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা হবে, এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
    ব্যবসায়ীরা জানান, মৌলভীবাজারে সারা বছর পর্যটকদের যাতায়াত থাকলেও সম্ভাবনার তুলনায় তা অনেক কম। অথচ জেলায় রয়েছে দুই শতাধিক দর্শনীয় স্থান। তবে পর্যটক আকর্ষণ, নিরাপত্তা, আবাসন ও বিনোদনের পরিকল্পিত কোনো উদ্যোগ না থাকায় পর্যটনের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে।
    শ্রীমঙ্গলের চামুং রেস্তোরাঁ ও ইকো ক্যাফের স্বত্বাধিকারী তাপস দাস বলেন, “সরকারি সহায়তার অভাবে স্থানীয় উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসতে পারছেন না। অবকাঠামোগত উন্নয়ন নেই, পর্যটন স্পটে সহজ যাতায়াত ও মানসম্মত গাইডের অভাবে পর্যটনশিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।”
    পরিবেশবাদী এসকে দাশ সুমন বলেন, “একই স্পট বারবার পর্যটকরা দেখতে চান না, তারা নতুনত্ব খোঁজেন। মৌলভীবাজারে পর্যটনকেন্দ্রিক নতুন বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে।”
    প্রশাসনের অবস্থান মৌলভীবাজার পর্যটন সেবা সংস্থার সদস্য সচিব শামছুল হক জানান, জেলার পাহাড়, টিলা, বনাঞ্চল, নদী-হাওর-বাঁওড়সহ বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক পরিবেশ ইকো-ট্যুরিজমের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।
    কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, “ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।”
    জেলা প্রশাসক ইসরাইল হোসেন জানান, “পর্যটন উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।”

মনজু বিজয় চৌধুরী
মৌলভীবাজার
মোবাইল-০১৭৩১৭২০৮৯৬


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা