ভারতের স্বাধীনতা প্রাপ্তির অব্যবহিত পর ভারতের প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি দেশের থেকে দলগুলিকে বড় করে দেখাতে চাইছেন নেতারা। এই অভিমুখীকরণ সমানভাবে আজও বিদ্যমান। বর্ধমান জাগরণী পত্রিকার সাহিত্য সভায় এই মন্তব্য করলেন দুই, দুইবার অ্যাকাডেমিপ্রাপ্ত লেখিকা রত্না রশিদ। ২৯ মার্চ বর্ধমান শহরের গোলাপবাগ নিকটস্থ পত্রিকার সম্পাদকের বাসভবনে আয়োজিত হয় জাগরণী পত্রিকার ত্রৈমাসিক ৫৯ তম সাহিত্য সভা। এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রত্না রশিদ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন বিপ্লবী যুগে নেতাদের মধ্যে দেশপ্রেম ছিল। ইদানিংকালে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলগুলি রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি করতে গিয়ে দেশের অগ্রগতি উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। একমাত্র সৃজনশীল লেখক লেখিকারা এই অব্যবস্থাপনার মোকাবেলা করতে পারেন। লেখক-লেখিকা সহ সাংবাদিকদের এ ব্যাপারে বস্তুনিষ্ঠ লেখালেখি ও সংবাদ পরিবেশন জরুরী হয়ে পড়েছে। সৃজনশীল কর্মীরা একযোগে এর মোকাবেলা করে প্রতিবাদী ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া দরকার। এই অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন পত্রিকার সম্পাদক বিকাশ বিশ্বাস। তিনি বলেন, সুদীর্ঘ ৪০ বছর ধরে জাগরণী পত্রিকা প্রকাশ হয়ে আসছে। জেলার লেখক লেখিকারা তো বটেই এছাড়াও দেশের বিভিন্ন রাজ্যের লেখক -লেখিকারা সৃজনশীল লেখা দিয়ে পত্রিকাকে সমৃদ্ধের শিখরে পৌঁছে দিয়েছেন। অনুষ্ঠানে পৌরহিত্য করেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক তথা জাগরণী পত্রিকার কার্যকরী সভাপতি সত্যনারায়ণ মাজিল্যা। অনুষ্ঠানের সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী অমিতা রায়, আশীষ কুমার মন্ডল। বক্তব্য ও কবিতা পাঠ করেন কাজী আব্দুল করিম, শেখ জানে আলম, কমলেন্দু পাল, চন্দন কুমার রায়, সুব্রত সাহা, চয়ন কুমার রায়, পূর্ণিমা রায়, পার্থসারথি মাজিল্যা প্রমুখ। এদিনের অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেন বিপত্তারন মিশ্র।