June 22, 2026, 5:17 am
শিরোনাম :
মনপুরায় টেকসই বেড়িবাঁধের ওপর পাকা রাস্তা নির্মাণ ও সোলার লাইট স্থাপনের দাবী, আন্দোলনের হুমকি দেড় লাখ উপকূলেবাসীর, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন এমপি নয়নের.। মৌলভীবাজারে ফল ব্যবসায়ীর উপর পূর্ব বিরোধে হামলা নাকি মিথ্যা মামলা? – পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে যেন রহস্যে ঘেরা! মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে আবারও ভাসল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী অভিনয়ে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম কাহারোলের তোফা কুর্রায়েশী কাহারোলে সতীঘাটা মহাশশ্মানে শিব মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করলেন, বিএনপি সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাদশা কাবা শরিফের গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার চট্টগ্রামের মুখতার আলম, বাংলাদেশের অনন্য গৌরব মান্দায় জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন,, নরসিংদীর শখের পাঁচ সিল্কি মুরগি থেকে সফল উদ্যোক্তা স্কুলশিক্ষক মোবারক শরণখোলায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস ও ফল মেলার উদ্বোধন  বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অনুরোধ: সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে-

সাতক্ষীরায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে ডা. শহিদুল আলম

মোঃ আজগার আলী

সাতক্ষীরায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে ডা. শহিদুল আলম

 

মোঃ আজগার আলী, জেলা প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা:

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। মোট ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জন নিজ নিজ দলের প্রতীক পেয়েছেন। অপরদিকে বিএনপির একমাত্র বিদ্রোহী প্রার্থী ডাঃ শহিদুল আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে থাকছেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক ঘোষণার পরপরই জেলাজুড়ে প্রার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। আগামীকাল থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার-প্রচারণা শুরু করবেন প্রার্থীরা।

 

সাতক্ষীরা-১ আসন:

এ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মোঃ ইজ্জত উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা),

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম (হাতপাখা) এবং জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল)।

 

সাতক্ষীরা-২ আসন:

এলডিপি ও এবি পার্টির প্রার্থীরা জামায়াতের সমর্থনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় এ আসনে এখন পাঁচজন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। তারা হলেন, বিএনপির আব্দুর রউফ (ধানের শীষ),

জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান আশু (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মশাল) এবং ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)।

 

সাতক্ষীরা-৩ আসন:

এ আসনটি এবার সবচেয়ে আলোচিত হয়ে উঠেছে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীকে কেন্দ্র করে। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় ডাঃ শহিদুল আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ আসনে অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা)

এবং বিএমজেপির রুবেল হোসেন (কবুতর)।

 

সাতক্ষীরা-৪ আসন:

গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় এ আসনে চারজন প্রার্থী নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় রয়েছেন। তারা হলেন, বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের জিএম নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আব্দুর রশীদ (লাঙ্গল) এবং ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা)।

 

এদিকে সাতক্ষীরা-৩ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ডাঃ শহিদুল আলমের প্রার্থী হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্র থেকে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকা ঘোষণার পর উপজেলা বিএনপির একটি অংশ ডাঃ শহিদুল আলমের মনোনয়নের দাবিতে টানা ১৭ দিন ধরে মিছিল-সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করলেও কেন্দ্র থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের দাবির মুখে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে সাতক্ষীরার চারটি আসনের মধ্যে বিএনপির একমাত্র বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ডাঃ শহিদুল আলম ভোটের মাঠে টিকে রইলেন।

প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে এখন নির্বাচনী উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা