April 22, 2026, 2:00 pm
শিরোনাম :
দীর্ঘদিনেও বাস্তবায়ন হয়নি ফকিরহাট উপজেলা / থানা স্থানীয়দের হতাশা ও দাবি জোরালো দক্ষিণ পৈরতলায় প্রকাশ্যে ইয়াবা বাণিজ্য: আতঙ্কে এলাকাবাসী, আলোচনায় ‘মাদক রাণী’ বানেছা শিক্ষা অফিসার সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত। সরাইলে মেঘনা পাড়ে অবৈধ মাটি কাটা, ভাঙনের আশঙ্কায় আতঙ্কে এলাকাবাসী মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচালকারী যাত্রীসহ পণ্য বোঝাই ট্রলার ডুবি মনপুরার ব্যবসায়ীদের ২০ লাখ টাকার বেশি মালামালের ক্ষতি। মনপুরায় হামের টিকাদান কার্যক্রম জোরদার নাঙ্গলকোটে সাড়ে ৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেল-সহ আটক ১। মৌলভীবাজারের নাজমা বেগমের ‘অপহরণ’ নাটক: অতঃপর প্রেমিকসহ আটক !- নাজমা’র বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের দাবি শিক্ষা অফিসার সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত। দেড় মাসের শিশুকে বুকে নিয়েই কারাগারে যুব মহিলা লীগ নেত্রী,সিজারের ক্ষত শুকায়নি, তবু জামিন নামঞ্জুর—আদালত প্রাঙ্গণে মানবিক দৃশ্য

দক্ষিণ পৈরতলায় প্রকাশ্যে ইয়াবা বাণিজ্য: আতঙ্কে এলাকাবাসী, আলোচনায় ‘মাদক রাণী’ বানেছা

Reporter Name

দক্ষিণ পৈরতলায় প্রকাশ্যে ইয়াবা বাণিজ্য: আতঙ্কে এলাকাবাসী, আলোচনায় ‘মাদক রাণী’ বানেছা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের দক্ষিণ পৈরতলা এলাকায় দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে মাদক বাণিজ্য। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নয়—বরং প্রকাশ্য দিবালোকে দেদারসে চলছে ইয়াবা বিক্রি। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
প্রকাশ্যেই চলছে মাদক কারবার
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দক্ষিণ পৈরতলার কিছু নির্দিষ্ট অলিগলিতে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাদকসেবীদের আনাগোনা লেগেই থাকে। উঠতি বয়সী কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এখানে সহজেই ইয়াবা সংগ্রহ করছে। এতে এলাকার সামাজিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
নেপথ্যে ‘ইয়াবা রাণী’ বানেছা
স্থানীয়দের দাবি, এই মাদক সিন্ডিকেটের মূল নিয়ন্ত্রক বানেছা বেগম, যাকে এলাকাবাসী ‘ইয়াবা রাণী’ হিসেবে চেনে। পুলিশ সূত্র জানায়, তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। অতীতে কয়েকবার গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন তিনি।
অভিযোগ রয়েছে, বানেছা নিজস্ব একটি কিশোর গ্যাং বা সোর্স নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন, যারা মাদক সরবরাহের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধিও নজরদারি করে থাকে।
আতঙ্কে স্থানীয়রা
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন,
“আমরা সব সময় ভয় নিয়ে থাকি। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা এসব দেখে খারাপ পথে চলে যাচ্ছে। প্রতিবাদ করার সাহসও পাই না, কারণ তাদের প্রভাব অনেক বেশি।”
প্রশাসনের অবস্থান
এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত চলছে এবং চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তারে কাজ চলছে। পাশাপাশি মাদকের স্পটগুলোতে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে।
জনদাবি
এলাকাবাসীর দাবি, সাময়িক অভিযান নয়—স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন কঠোর ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা। তাদের মতে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকাই মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা