April 22, 2026, 10:31 am
শিরোনাম :
দীর্ঘদিনেও বাস্তবায়ন হয়নি ফকিরহাট উপজেলা / থানা স্থানীয়দের হতাশা ও দাবি জোরালো দক্ষিণ পৈরতলায় প্রকাশ্যে ইয়াবা বাণিজ্য: আতঙ্কে এলাকাবাসী, আলোচনায় ‘মাদক রাণী’ বানেছা শিক্ষা অফিসার সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত। সরাইলে মেঘনা পাড়ে অবৈধ মাটি কাটা, ভাঙনের আশঙ্কায় আতঙ্কে এলাকাবাসী মনপুরা-তজুমুদ্দিন নৌরুটে চলাচালকারী যাত্রীসহ পণ্য বোঝাই ট্রলার ডুবি মনপুরার ব্যবসায়ীদের ২০ লাখ টাকার বেশি মালামালের ক্ষতি। মনপুরায় হামের টিকাদান কার্যক্রম জোরদার নাঙ্গলকোটে সাড়ে ৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেল-সহ আটক ১। মৌলভীবাজারের নাজমা বেগমের ‘অপহরণ’ নাটক: অতঃপর প্রেমিকসহ আটক !- নাজমা’র বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের দাবি শিক্ষা অফিসার সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত। দেড় মাসের শিশুকে বুকে নিয়েই কারাগারে যুব মহিলা লীগ নেত্রী,সিজারের ক্ষত শুকায়নি, তবু জামিন নামঞ্জুর—আদালত প্রাঙ্গণে মানবিক দৃশ্য

সরাইলে মেঘনা পাড়ে অবৈধ মাটি কাটা, ভাঙনের আশঙ্কায় আতঙ্কে এলাকাবাসী

Reporter Name

  • সরাইলে মেঘনা পাড়ে অবৈধ মাটি কাটা, ভাঙনের আশঙ্কায় আতঙ্কে এলাকাবাসী

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার ওরাইল ইউনিয়নের পাকশিমুল বিল এলাকায় মেঘনা নদীর পাড় ঘেঁষে অবৈধভাবে মাটি কাটার ঘটনা দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে ভেকু মেশিন ব্যবহার করে ফসলি জমি ও নলবন এলাকা থেকে মাটি কেটে ট্রাকে ভরে ঢাকায় বিক্রি করছে।
    জানা যায়, মেঘনা নদীর পারঘেঁষা চান্দরীর নলবন জমিসহ আশপাশের বিভিন্ন আবাদি জমি থেকে নিয়মিত মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। এসব মাটি বলঘাটের মাধ্যমে পরিবহন করে রাজধানীতে নেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে নদীর পাড় ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে।
    স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল আজিজ মিয়া জানান, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত হিসেবে কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন—নূরে আলম (৫৫),

  • জসিম (৬০), মাসুক (৪৫), আরিফ রহমান (৪৫), আবদুল আজিজ (৬০), আকবর মিয়া (৫৫), রফিক মিয়া (৫০), সামসু মিয়া (৫৫), সামসু (৫০), রশিদের ছেলে ও মাসুদ (পাকশিমুল)।
    গ্রামবাসীরা জানান, তারা একাধিকবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও প্রভাবশালী এই চক্রকে থামানো সম্ভব হচ্ছে না। প্রকাশ্যে তারা এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
    এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ছাড়া এই অবৈধ মাটি উত্তোলন বন্ধ করা সম্ভব নয়। তাদের আশঙ্কা, এভাবে মাটি কাটতে থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের নদী ভাঙন দেখা দিতে পারে, যা শত শত পরিবারের বসতভিটা ও ফসলি জমি বিলীন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে।
    স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হলেও কিছুদিন বন্ধ থাকার পর আবারও একই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে।
    বিশ্লেষকদের মতে, অবৈধভাবে নদীর পাড় ও আশপাশের জমি থেকে মাটি উত্তোলন অব্যাহত থাকলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি জনজীবনে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা