June 21, 2026, 1:24 pm
শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে ফল ব্যবসায়ীর উপর পূর্ব বিরোধে হামলা নাকি মিথ্যা মামলা? – পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে যেন রহস্যে ঘেরা! মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে আবারও ভাসল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী অভিনয়ে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম কাহারোলের তোফা কুর্রায়েশী কাহারোলে সতীঘাটা মহাশশ্মানে শিব মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করলেন, বিএনপি সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাদশা কাবা শরিফের গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার চট্টগ্রামের মুখতার আলম, বাংলাদেশের অনন্য গৌরব মান্দায় জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন,, নরসিংদীর শখের পাঁচ সিল্কি মুরগি থেকে সফল উদ্যোক্তা স্কুলশিক্ষক মোবারক শরণখোলায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস ও ফল মেলার উদ্বোধন  বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অনুরোধ: সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে- গীতিকার রাজ আলমগীরের স্বপ্নযাত্রা: ‘গ্রাম থেকে তারকা’ সংগীত প্রতিযোগিতায় জেগে উঠছে দুর্গাপুরের লুকিয়ে থাকা প্রতিভা

ইসলামপুরে মাদ্রাসা কমিটি স্থগিত ও প্রতারক সহকারী শিক্ষকের শাস্তির দাবী

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি:

ইসলামপুরে মাদ্রাসা কমিটি স্থগিত ও প্রতারক সহকারী শিক্ষকের শাস্তির দাবী

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার উত্তর মালমারা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার বর্তমান কমিটি বাতিল ও সহকারী শিক্ষক মো. সাদ্দাম হোসেনকে প্রতারণার দায়ে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম।

প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ মাদ্রাসার নামে ৩৩ শতাংশ জমি দান করা হয়। ২০১৫ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান এবং নিয়মিতভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন।

বেতন-ভাতা না থাকায় জীবিকার প্রয়োজনে ২০২৩ সাল থেকে সহকারী শিক্ষক মো. সাদ্দাম হোসেনকে দায়িত্ব দিয়ে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি শুরু করি। এই সুযোগে সহকারী শিক্ষক সাদ্দাম হোসেন ২০২৫ সালে তার অজান্তে মাদ্রাসার কোড ও স্বীকৃতি নবায়নের সময় প্রধান শিক্ষক পদ থেকে তাকে বাদ দিয়ে নিজেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দেখান এবং একটি নতুন কমিটি গঠন করেন। পরবর্তীতে উক্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করে স্বাক্ষর করিয়ে নেন।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে তিনি মাদ্রাসার বর্তমান কমিটি স্থগিত এবং প্রতারণার দায়ে সহকারী শিক্ষক মো. সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

সহকারী শিক্ষক মো. সাদ্দাম হোসেন কে বার বার তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায় নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা