June 5, 2026, 10:20 am
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের বর্জ্য থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগ্রহী চীনা কনসোর্টিয়াম নওগাঁর পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নিরাপদ নয় শৈশব?”— হাতীবান্ধায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের লোলুপ দৃষ্টির শিকার শিশু পতেঙ্গায় ৫ লাখ টাকার চোরাই কয়লা জব্দ ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মানুষের সেবায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ফখরুল ইসলাম বিএসএফের গুলির অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ চট্টগ্রাম বন্দরের জট কমাতে আরও ১০২ কন্টেইনার পণ্য নিলামে ৬ দফা দাবিতে চমেক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মানুষের সেবায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ফখরুল ইসলাম অকটেন, কেরোসিন ও পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করেছে বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি

অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল চট্টগ্রামের ডিএপি সার কারখানা

Reporter Name

অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হয়ে গেল চট্টগ্রামের ডিএপি সার কারখানা

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

সার তৈরির প্রধান কাঁচামাল অ্যামোনিয়ার তীব্র সংকটে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডিএপি সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল)-এর উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। ১৮ এপ্রিল(শনিবার) রাত ৮টা থেকে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ডিএপিএফসিএল’র ব্যবস্থাপক ও বিভাগীয় প্রধান (প্রশাসন) আলমগীর জলিল জানান, অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। সাধারণত চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পেয়ে থাকে ডিএপিএফসিএল। তবে গ্যাস সংকটের কারণে ওই দুটি কারখানাই বর্তমানে বন্ধ থাকায় কাঁচামাল সংকট দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সিইউএফএল ও কাফকো চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় শুরু না হলে ডিএপিএফসিএলের উৎপাদন বন্ধই থাকবে।
উল্লেখ্য, দেশের কৃষি খাতে সুষম সারের ব্যবহার নিশ্চিত এবং যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)-এর তত্ত্বাবধানে ডিএপিএফসিএল প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত এই কারখানায় দৈনিক ৮০০ টন উৎপাদন সক্ষমতার দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে।
বর্তমানে কারখানাটিতে দৈনিক গড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টন সার উৎপাদন হচ্ছিল। উৎপাদন বন্ধ থাকায় কৃষিখাতে সারের সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা