বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এর মৃত্যু ভোলাহাট সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় মোবাইল ফোন, ইয়াবা এবং নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এর বিশাল চালান জব্দ এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার সাইফুল মালেক মিথ্যা অভিযোগের হয়রানির শিকার কাহারোলে মাদক সেবনের দায়ে দুই যুবককের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ কলেজে সেমিনার অনুষ্ঠিত আরইউটিডিপি উদ্যোগে ঝিকরগাছা পৌরসভায় কপোতাক্ষ নদ কেন্দ্রিক বৃহৎ পর্যটন প্রকল্প গফরগাঁওয়ে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে খামার দখল করে মাছ লুটের অভিযোগ ‎হাম আক্রান্ত শিশুদের সুচিকিৎসায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি পেশ- ত্রিশালে জুয়ার আসরে পুলিশের হানা আটক তিন জুয়ারী মনপুরায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় উদ্যোগ: বসছে ২৮ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবল

এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার সাইফুল মালেক মিথ্যা অভিযোগের হয়রানির শিকার

Reporter Name

এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার সাইফুল মালেক মিথ্যা অভিযোগের হয়রানির শিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার্স সাইফুল মালেক খানের এক দুর্নীতির অভিযোগ এর সংবাদ প্রকাশিত সংবাদের তথ্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করেছেন খোদ সেবাগ্রহীতা ও হাসপাতালের সাধারণ রোগীরা। তাদের মতে, সাইফুল মালেক খান অনিয়ম নয়, বরং মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
গত ৯ মে একটি স্থানীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের পর হাসপাতাল এলাকায় অনুসন্ধানে গেলে ভিন্ন চিত্র ফুটে ওঠে। ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসা একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, সাইফুল মালেক খান দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মানোন্নয়নে আমূল পরিবর্তন এসেছে।
চিকিৎসা নিতে আসা এক দিনমজুর বলেন, “মানুষ মানুষের জন্য এই কথাটি সাইফুল সাহেবের ক্ষেত্রে খাটে। তিনি শুধু ডিউটি করেন না, আমাদের মতো গরিব মানুষ যারা ওষুধ কিনতে পারে না, তাদের নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে সাহায্য করেন। উনার কাছে গিয়ে কেউ খালি হাতে ফেরে না।”
সাইফুল মালেক খানের মানবিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সবচেয়ে প্রশংসিত হয়েছে আলেম-ওলামাদের প্রতি তার সম্মান। জানা গেছে, কোনো ইমাম বা মুয়াজ্জিন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এলে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাদের দ্রুত এবং বিনামূল্যে সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে এমন পরোপকারী মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।
তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ওয়ার্ড মাস্টার সাইফুল মালেক খান বলেন, “আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি সবসময় মানব কল্যাণে এবং হাসপাতালের শৃঙ্খলা ফেরাতে কাজ করছি। আমি সংবাদকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানাব আপনারা সরাসরি হাসপাতালে এসে তদন্ত করে দেখুন। সত্য মিথ্যার আড়ালে যাতে প্রকৃত সেবা বিঘ্নিত না হয়।”
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট অনেকের মতে, কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্বার্থান্বেষী মহলের চক্ষুশূল হতে পারেন তিনি। মানবিক আচরণ এবং আন্তরিক সেবার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে যে জায়গা করে নিয়েছেন, তা কোনো ভিত্তিহীন অভিযোগে ম্লান হওয়ার নয়। ওসমানী মেডিকেলের সেবার মান বজায় রাখতে এবং একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর সম্মান রক্ষায় বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা