June 5, 2026, 8:57 am
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের বর্জ্য থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগ্রহী চীনা কনসোর্টিয়াম নওগাঁর পোরশায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক নিরাপদ নয় শৈশব?”— হাতীবান্ধায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের লোলুপ দৃষ্টির শিকার শিশু পতেঙ্গায় ৫ লাখ টাকার চোরাই কয়লা জব্দ ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মানুষের সেবায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ফখরুল ইসলাম বিএসএফের গুলির অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ চট্টগ্রাম বন্দরের জট কমাতে আরও ১০২ কন্টেইনার পণ্য নিলামে ৬ দফা দাবিতে চমেক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মানুষের সেবায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ফখরুল ইসলাম অকটেন, কেরোসিন ও পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করেছে বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি

চট্টগ্রামে হাম-রুবেলার জরুরি টিকাদান শুরু ২০ মে ৭ লাখ ৬৭ হাজার শিশুকে টিকার লক্ষ্যমাত্রা

Reporter Name

চট্টগ্রামে হাম-রুবেলার জরুরি টিকাদান শুরু ২০ মে
৭ লাখ ৬৭ হাজার শিশুকে টিকার লক্ষ্যমাত্রা

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রামে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ আগামী ২০ মে থেকে শুরু হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় জেলার ১৫টি উপজেলায় মোট ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৯৫২ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৯ এপ্রিল(রোববার) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৫৫ জন এবং কমিউনিটি পর্যায়ের শিশু ৬ লাখ ১৬ হাজার ১৯৭ জন। ক্যাম্পেইনটি ২০ মে থেকে ১০ জুন পর্যন্ত মোট ১১ কার্যদিবসে পরিচালিত হবে।
এ সময়ে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে ১ ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় পূর্বে হামের টিকা নেওয়া থাকলেও এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে পুনরায় টিকা গ্রহণ করতে হবে।
জেলার ১৫টি উপজেলার ২০০টি ইউনিয়ন ও ৬০০টি ওয়ার্ডে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ জন্য ৪ হাজার ৮১৫টি কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কর্মসূচি বাস্তবায়নে ৯২৯ জন মাঠকর্মী, ৫২৪ জন সিএইচসিপি এবং ৩৭১ জন মেডিক্যাল অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাম ও রুবেলা অত্যন্ত সংক্রামক এবং শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ রোগ। এ থেকে সুরক্ষায় নির্ধারিত সময়ে টিকা গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলার অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অসুস্থ বা হাসপাতালে ভর্তি থাকা শিশুদের সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত টিকা দেওয়া হবে না এবং অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া কোনো শিশুকে টিকা প্রদান করা হবে না। নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের পাশাপাশি এই বিশেষ ক্যাম্পেইন চলবে।
অভিভাবকদের সুবিধার্থে অনলাইনে নিবন্ধনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নির্ধারিত ওয়েবসাইট থেকে নিবন্ধন করে টিকার কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা