গোবিন্দগঞ্জের নাকাই হাটে জমির সিমানা বিরোধে সংঘর্ষে নিহত ১ আহত -১০
গাইবান্ধা থেকে মোঃ আবু জাফর মন্ডলঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের নাকাই হাট বন্দর এলাকায় একটি জমির সীমানা নির্ধারনকে কেন্দ্র করে আব্দুল মজিদ
গং ও শাহা আলম গংদের মধ্যে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া সংঘটিত হয়েছে। এতে দুপক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ইট পাটকেল, বেকি,লাঠি সোটা দ্বারা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষের মাঝে ১টি হিরো মোটর সাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও মোটরসাইকেল ভাংচুরসহ ঘটনায় ১১জন হতাহতের সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিক
চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং হাসপাতালে আনিছুর রহমান নামে এক ব্যক্তি মারা যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা জানা,গত মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার নাকাই হাট বন্দরে নাকাই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক, ও তার ভাই আব্দুল মজিদ গংদের সাথে একই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহফুজার রহমান মন্ডলের ভাতিজি জামাই শাহালম গংদের মধ্যে একটি জমির সীমানা নির্ধারনের জন্য স্থানীয় সার্ভেয়ার জমি মাপামাপি করার সময় উভয়ের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।এ সংঘর্ষের সময় দফায় দফায় ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া ইটপাটকেল নিক্ষেপ,একটি হিরো মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ, একটি বাজাজ ডিসকাভার ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। অপরদিকে এ সংঘর্ষে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সায়েম গুরুতর আহতসহ সাধারন সম্পাদক আব্দুল মালেক প্রধান ,আব্দুল মজিদ প্রধান ,মানিক প্রধান,মেহেদুল প্রধান,আনিছুর রহমান সহ উভয় পক্ষের অন্তত ১১জন আহত হয়। এদের মধ্যে গুরুতর আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ ও বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আজ বুধবার ভোরে সাবেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহফুজার রহমান মন্ডলের ভাতিজি জামাই শাহালমের ভাই সাবেক ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ও স্থানীয় ফ্লোক্সি লোড ব্যবসায়ী আনিছুর রহমান নামে একজন রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
নি*হত আনিসুর রহমান, নাকাই বন্দর এলাকার নুরুল হক মন্ডলের পুত্র। পক্ষান্তরে সংঘর্ষের খবর পেয়ে, গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে থানার এস,আই শিবলী কায়েস মীরসহ সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে এসে পরিবেশ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় পরে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হলে ২ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ খবর পেয়ে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার(সি-সার্কেল)রশীদুল বারী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আবারো যে কোনো মুহূর্ত সংঘর্ষ সৃষ্টির আশঙ্কার দেখা দিতে পারে।