July 30, 2026, 8:02 pm
শিরোনাম :
প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রবাসীদের ঐক্য ও কল্যাণের প্রত্যয়ে, ইতালিতে মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি মিঠু, সম্পাদক আমিনুল নির্বাচিত হাইকোর্টের আদেশে জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে রূপালী খাতুন পুনর্বহাল হাইকোর্টের আদেশে জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে রূপালী খাতুন পুনর্বহাল প্রাণহানির পরও থামেনি ড্রেজার সিন্ডিকেট, নতুন রাস্তা কেটে চলছে ঝিল ভরাট কোটালীপাড়ায় ৩ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার আনোয়ারা চায়না ইকোনমিক জোনে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ হবে : অর্থমন্ত্রী ” শাসনের আড়ালে শৈশব নিগ্রহ: ক্ষুব্ধ সমাজ, নিশ্চুপ প্রশাসন!” বঙ্গভবনের পরবর্তী চাবিকাঠি ও ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ: ড. ইউনূস কি হতে যাচ্ছেন আগামী রাষ্ট্রপতি? স্থানীয় সরকারে নারী নেতৃত্ব: চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে সম্ভাবনার পথে

পলাশবাড়ীতে রাম মূর্তি স্থাপন ঘিরে বিতর্ক: সম্প্রীতি বজায় রেখে সহনশীলতার আহ্বান

Reporter Name

পলাশবাড়ীতে রাম মূর্তি স্থাপন ঘিরে বিতর্ক: সম্প্রীতি বজায় রেখে সহনশীলতার আহ্বান

গাইবান্ধা থেকে মোঃ আবু জাফর মন্ডলঃ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নির্মাণাধীন বৃহৎ রাম মূর্তি স্থাপনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে একটি সংগঠন এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করলেও অন্যদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের একটি অংশ মনে করছেন, বিষয়টিকে অযথা রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক রূপ না দিয়ে পারস্পরিক সহনশীলতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার দৃষ্টিতে দেখা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে গাইবান্ধা শহরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কয়েকজন বক্তা অভিযোগ করেন যে, পলাশবাড়ীতে বিশ্বের বৃহত্তম কথিত রাম মূর্তি স্থাপনের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে এবং এটি দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হতে পারে। তারা দ্রুত মূর্তিটি অপসারণসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানান।

তবে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মহলের অভিমত, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক ও বহু ধর্মের মানুষের দেশ, যেখানে সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা রয়েছে। কোনো ধর্মীয় স্থাপনা বা প্রতীক নির্মাণকে সরাসরি রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড বা দেশ বিভক্তির ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখার আগে নিরপেক্ষ তদন্ত ও বাস্তব তথ্য যাচাই জরুরি।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, গাইবান্ধা জেলায় দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু-মুসলিমসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন। একটি ধর্মীয় স্থাপনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ানো বা সন্দেহের পরিবেশ তৈরি করা ভবিষ্যতে সামাজিক সম্প্রীতির জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ধর্মীয় অনুভূতি ও নাগরিক অধিকারের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে দায়িত্বশীল বক্তব্য এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করবে, তবে যাচাইয়ের আগেই জনমনে বিভ্রান্তি বা বিভাজন সৃষ্টি করা উচিত নয়।

স্থানীয় শান্তিপ্রিয় মানুষ আশা করছেন, প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করবে এবং সব পক্ষকে সংযত থেকে সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা