ধামরাইয়ে যুবদল নেতা ও শিক্ষক এস. এম. লুৎফর রহমান গ্রেফতার
একই মামলায় আরও তিন কর্মী আটক, ক্ষোভ স্থানীয় নেতাকর্মীদের
ধামরাইয়ে একটি মারধরের মামলায় যুবদলের চার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় যুবদল নেতা ও শিক্ষক এস. এম. লুৎফর রহমান (৪২)। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকালে তিনি নিজেই থানায় গিয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন।
এর আগে বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের পাবরাইল এলাকা থেকে একই মামলায় যুবদলের তিন কর্মী সেলিম হোসেন (২৮), মনোয়ার হোসেন (৩০) ও বাবর আলী (৫০) কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার আবুল বাশার নামে এক ব্যক্তি মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় লুৎফর রহমানসহ চারজনকে আসামি করা হয়।
ধামরাই উপজেলা যুবদলের নেতা আলম হোসাইন বলেন, “মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মিথ্যা মামলায় আমাদের কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়। খবর পেয়ে লুৎফর ভাই থানায় কর্মীদের দেখতে যান। তিনি বলেন, ‘কর্মীদের রেখে আমি কোথাও যাব না।’ তাই স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন।”
ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, “একটি মারধরের মামলায় যুবদল নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
এদিকে, যুবদল নেতা ও শিক্ষক লুৎফর রহমানের গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি ও যুবদল নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন, সরকার বিরোধী কার্যক্রমে অংশ নেওয়ায় নেতাদের টার্গেট করে মামলা দেওয়া হচ্ছে।